অন্ডালের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির বাড়ি পরিদর্শনে গেলেন বিডিও
দি নিউজ লায়ন; একচিলতে টালির চালার ঘর।টানা বৃষ্টিতে সেই ঘরে পড়ছে জল। যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়তে পারে বাড়ি। তাই পরিবার নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন আত্মীয়-র ঘরে। এমনি করুণ অবস্থা অন্ডাল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি লক্ষ্মী টুডুর। লক্ষ্মী টুডু বতমানে অন্ডাল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। বাড়ি মদনপুর পঞ্চায়েতের বাবুইশোল গ্রামে । পরিবারে আছেন বাবা, মা আর বোন। বাবা দিন মজুর, মা রাজ মিস্ত্রির সঙ্গে হেল্পারের কাজ করেন আর বোন দ্বাদশ শ্রেনীর ছাত্রী।
শিক্ষিতা সৎ হিসাবে এলাকায় পরিচিত লক্ষ্মী দেবী। তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যনাজি তার আদর্শ। ব্লকের ৮টি পঞ্চায়েতের মানুষের অভাব অভিযোগ দেখাই তার কাজ। সেই কাজ তিনি করেন মন দিয়েও। ক্ষমতা থাকলেও তিনি তার অপব্যবহার করে নিজের জন্য কিছুই করেননি। ক’দিনের টানা বৃষ্টিতে তাদের মাটির বাড়ির বেহাল অবস্থা হয়েছে। ভাঙ্গা টালির উপর দেওয়া ছিল প্লাস্টিক। ঝড়ে সেটাও ছিঁড়ে গেছে। পদে থাকার কারনে বিষয়টি তিনি কাউকে জানাতেও চাইনি। প্রতিবেশিদের কাছ থেকে তা জানতে পরে ”মানবিক”- নামে একটি সংগঠনের সদস্য-রা। সোমবার তার বাড়ি গিয়ে চাল,ডাল,বিস্কুট,মুড়ি দিয়ে আসে। লক্ষ্মীদেবী হাসি মুখে তা গ্রহন করেন।
রবিবার তার বাড়ি যান বিডিও সুদীপ্ত বিশ্বাস। সুদীপ্ত বাবু জানান সভাপতির বাড়ির অবস্থা বিপজ্জনক। অপাতত এক আত্মীয়ের বাড়িতে তার পরিবারের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সরকারি ভাবে কিছু সাহায্য করা যায় কি না তা গুরুত্ব দিয়ে আমরা দেখছি।লক্ষ্মীদেবী জানান সভাপতি হওয়ার আগে বাড়ির জন্য পঞ্চায়েতে আবেদন করে ছিলাম। কিন্তু তা পাইনি। এখন আমি সভাপতির পদে রয়েছি তাই নৈতিকতার কারনে আর আবেদন করিনি।
পশ্চিম বর্ধমানের শাসকদলের যুব সভাপতি তথা পশ্চিম বর্ধমান জেলা পরিষদের সদস্য রুপেশ যাদব বলেন আমাদের দলের পক্ষ থেকে কি করা যায় দেখছি। দল লক্ষ্মীদেবীর পাশে আছে বলে তিনি জানান।

Post a Comment